আমি তখন ক্লাস সেভেন এ পড়ি, ক্লাস এ খুব আত্মকথা লেখানো শেখাচ্ছে স্কুলে আর আমি রচনা লিখিনা পরীক্ষায়।. আজ অব্দি আমার রেকর্ড আছে, কোনো বাংলা পরীক্ষায় রচনা লিখিনি, উচ্চমাধ্যমিক এর কথা মনে নেই, তার আগে তো কোনো দিন ই লিখিনি।.কোনো গর্হিত কারণ নয়, পরীক্ষায় গুজিমুজি করে রচনা লিখতে আমার ভালো লাগত না।. তা সে যাই হোক, মা আমার তখনো হাল ছাড়েননি আমায় পরীক্ষায় লেখবার।. আমায় নিয়ে বসলেন inanimate objects এর আত্মকথা লেখাতে।.আমার মা বেশ ভালই লেখেন, নিজে লিখে আমায় কল্পনা করে লেখার নেশা ধরিয়ে দিলেন।.আর আমি মহা উত্সাহে সব জড় বস্তুর জীবন কেমন হয় তাদের সুখ দুখ সব নিয়ে লেখ সুরু করলাম; সে এমনি লেখার তোড় সে আর থামেনা।.বলতে কি দু একটা দুর্দান্ত কল্পনাও বেরিয়ে গেল এমন হাত দিয়ে যে মা আমায় নিয়ে বেশ গর্বিত, পরিবারের সবাইকে ডেকে পড়ানো হয়ে গেল, আর ভাবা সুরু হয়ে গেল এত জিনিয়াস মেয়ে, এই উচ্চিঙরের মধ্যে এত প্রতিভা, রত্না (আমার মা) র সব চিন্তার অবসান হলো, ফেলু মেয়েটা শেষে সাহিত্যিক হবে।. কিন্তু সব ই মাঠে মারা গেল।.
স্কুল এ ম্যাগাজিনে লেখা চাইছিল, মা বলল তোর জলের আত্মকাহিনী টা জমা করে দে।. দিলাম জমা করে, কিন্তু স্কুলে তো আমার সুপ্ত প্রতিভা গুপ্তই রয়ে গেছে, সেখানে তো আমি সেই কোনো ক্লাস এ রচনা লিখতে না পারা কোনরকমে ৩৫% পেয়ে পাশ করা মেয়ে, সে কি করে এইরকম দার্শনিক এর মতো লেখা লিখবে নিজে নিজে? অতএব চার পাঁচজন টিচর মিলে আমায় জেরা করলেন, বুঝিয়ে বকে বার করার চেষ্টা করলেন যে কোথা থেকে লেখা টা চুরি করা, তার পর এটাও বোঝানোর চেষ্টা করলেন যে লেখা চুরি করা খারাপ ব্যাপার ইত্যাদি ইত্যাদি।.........তারা তো আর এমন মেয়ে কোনদিন দেখেন নি যে মুড না হলে পরীক্ষার উত্তর লেখে না।.
এর পর কি হলো ,জানিনা আমার সাহিত্য চর্চা হটাত থেমে গেল, মাগাজিনে আমার লেখা ছাপলোনা, মা এর স্কূল এ হটাত দেখা করতে আসা বেড়ে গেল, স্কুলের দিদিরা আমার গান সুনে মুগ্ধ হযে গেলেন এক যেমন খুশি সাজ প্রতিযোগিতায়, তারা হাঁফ ছেড়ে ভাবলেন মিসেস সেন (আমার মা) র সব চিন্তার অবসান হলো, ফেলু মেয়েটা শেষে গান বাজনায় নাম করবে।.কিন্তু সব ই মাঠে মারা গেল।.
না আমি সাহিত্যিক হলাম না সঙ্গিত্জ্ঞা, স্কুলে অবশ্য চুটিয়ে গান গাইলাম, একবার মাগাজিনে এ লিখে প্রাইজ ও পেলাম।. কিন্তু কোনো বাংলা পরীক্ষায় রচনা লেখা .হলনা আর আমি যে কি তৈরী হলাম সেও দেবা ন জানন্তি।.
স্কুল এ ম্যাগাজিনে লেখা চাইছিল, মা বলল তোর জলের আত্মকাহিনী টা জমা করে দে।. দিলাম জমা করে, কিন্তু স্কুলে তো আমার সুপ্ত প্রতিভা গুপ্তই রয়ে গেছে, সেখানে তো আমি সেই কোনো ক্লাস এ রচনা লিখতে না পারা কোনরকমে ৩৫% পেয়ে পাশ করা মেয়ে, সে কি করে এইরকম দার্শনিক এর মতো লেখা লিখবে নিজে নিজে? অতএব চার পাঁচজন টিচর মিলে আমায় জেরা করলেন, বুঝিয়ে বকে বার করার চেষ্টা করলেন যে কোথা থেকে লেখা টা চুরি করা, তার পর এটাও বোঝানোর চেষ্টা করলেন যে লেখা চুরি করা খারাপ ব্যাপার ইত্যাদি ইত্যাদি।.........তারা তো আর এমন মেয়ে কোনদিন দেখেন নি যে মুড না হলে পরীক্ষার উত্তর লেখে না।.
এর পর কি হলো ,জানিনা আমার সাহিত্য চর্চা হটাত থেমে গেল, মাগাজিনে আমার লেখা ছাপলোনা, মা এর স্কূল এ হটাত দেখা করতে আসা বেড়ে গেল, স্কুলের দিদিরা আমার গান সুনে মুগ্ধ হযে গেলেন এক যেমন খুশি সাজ প্রতিযোগিতায়, তারা হাঁফ ছেড়ে ভাবলেন মিসেস সেন (আমার মা) র সব চিন্তার অবসান হলো, ফেলু মেয়েটা শেষে গান বাজনায় নাম করবে।.কিন্তু সব ই মাঠে মারা গেল।.
না আমি সাহিত্যিক হলাম না সঙ্গিত্জ্ঞা, স্কুলে অবশ্য চুটিয়ে গান গাইলাম, একবার মাগাজিনে এ লিখে প্রাইজ ও পেলাম।. কিন্তু কোনো বাংলা পরীক্ষায় রচনা লেখা .হলনা আর আমি যে কি তৈরী হলাম সেও দেবা ন জানন্তি।.
No comments:
Post a Comment